আমাদের কথা

পটভূমি
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, জাতিগত বিদ্বেষ আর রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা আজ আনবিক বোমার চেয়েও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনাগত প্রজন্মের জন্য নতুন শান্তিময় বিশ্ব বিনির্মাণে এখন প্রয়োজন মনুষ্যত্ব, মানবিকতা, বিজ্ঞানমস্কতার উত্তরণ ঘটনো। এসব বিবেচনায় বিজ্ঞান সংগঠন ‘কসমিক কালচার’ বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে। কসমিক কালচার মনে করে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশ-জাতি যখন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতায় ক্রমধাবমান তখন আমরা বাংলাদেশে ক্রমশঃই যেন পিছিয়ে পড়ছি। এর মূল কারন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশের ক্ষেত্রে আমাদের দায়বদ্ধতা ও সচেতনতার অভাব।

আমাদের স্বপ্ন
আমরা স্বপ্ন দেখি,স্বপ্ন দেখি মেধা ও যুক্তির চর্চায় বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে নিয়ে সৃজনশীল ভবিষ্যত গড়ার। বিজ্ঞান সংগঠন কসমিক কালচার সেই গড়ে ওঠারই বহিঃপ্রকাশ। আমরা উপলব্ধি করেছি লৌকিক পথিক এই মানুষের সামাজিক-সাংস্কৃতিক স্বত্তার মূল ভিত্তি হচ্ছে মানবীয় উৎকর্ষতা ও যৌক্তিক-বিশ্লেষণার্থক চিন্তার প্রসারতা। যা তাকে অনুপ্রাণিত করে জ্ঞান চর্চায়। কালের ক্রমবিকাশে এই লৌকিক পথিক মানুষেরাই আজ হয়ে গিয়েছে মহাজাগতিক পথিক, যে ছাড়িয়ে গেছে সময়কে-নিজেকে। আমরা সেই জ্ঞান চর্চার পরিবেশ তৈরির পথে শামিল হয়েছি মাত্র।

আগামী প্রজন্ম
আন্ত:নাক্ষত্রিক সভ্যতার সন্ধানে উন্নত বিশ্ব যখন অগ্রসরমান, তখন এই আমরা পশ্চাৎপদতা আর গতানুগতিকতার আটপৌঢ়ে চিন্তায় আবর্তিত হচ্ছি প্রতিনিয়ত। এই অনগ্রসরতার দৃশ্যপট বদলে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই কসমিক কালচার স্বপ্ন দেখে আজ থেকে ২৬ শত বছর পূর্বে ঈজিয়ান সাগরের পূর্বাঞ্চলে গড়ে ওঠা আয়োনীয় সভ্যতার কিংবা ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী আলেক্সান্দ্রিয়া সভ্যতার পুনরাবৃত্তির, যেখানে মুক্তভাবে জ্ঞানচর্চায় আর যৌক্তিক চিন্তায় বেড়ে উঠবে আগামী প্রজন্ম। যে ছাড়িয়ে যাবে নিজেকে, ছাড়িয়ে যাবে বর্তমানকে .. .. হয়ে উঠবে মহাজাগতিক প্রথিক। মানবিক স্বপ্নে বিভোর আমরা সেই অনাগত ভবিষ্যতের জন্য প্রতীক্ষিত।

আহ্বান
আমরা তাই কাজ করতে চাই আগামী সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করার লক্ষ্যে। সচেতন কর্মপ্রচেষ্টা, উদ্যম, আত্মত্যাগ, মেধা ও সৃজনশীলতা দ্বারা আমরা করব জয় নিশ্চয়। তাই আসুন, শামিল হই এ বিজ্ঞান আন্দোলনে, মেতে উঠি আনন্দ নির্মাণে।


আমাদের কথা
(পাতাটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet