অামাদের সম্পর্কে

লক্ষ্য:

শিক্ষা ও জ্ঞানের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী তথা সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করে তোলা ও তাদেরকে যথাসম্ভব বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক মানসিকতার বিকাশ ঘটানো কসমিক কালচারের একমাত্র লক্ষ্য।

উদ্দেশ্য:

মানুষকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করা গেলে সে বুঝতে পারবে তার অবস্থান, বুঝতে পারবে যৌক্তিক করণীয় বিষয়। তখন তাকে আলাদাভাবে বিভিন্ন অসঙ্গতি সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার এবং উন্নয়নের আবশ্যিকতা বলে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বিজ্ঞান-প্রযুক্তিগত ধারণার মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়নের চেতনা ও ধারণা বিকশিত করা যত সহজ ও বাস্তবসম্মতভাবে সম্ভব তা আর কোনভাবেই নয়। এই অবস্থান ও বিবেচনা থেকে কসমিক কালচার দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞান বিষয়ক উৎসাহ সৃষ্টি এবং বিজ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি পরিচালনায় সক্রিয় ও তৎপর।

পটভূমি:

কবে কোথায় শুরু হয়েছিল বিজ্ঞানের শুভযাত্রা, সুদূর অতীতে তার জীবনের অসংখ্য সমস্যা সমাধানে মানুষ যেদিন সচেষ্ট হয়ে উঠল, সেইদিন দেখা দিল বিজ্ঞানের আলো। শুরু হল তার অভিযাত্রা। প্রথম দিকের সমাধানগুলি ছিল আশু সুবিধা লাভের কৌশলমাত্র এবং প্রাথমিক প্রচেষ্টা হিসেবে সেটাই ছিল তার জন্য যথেষ্ট। ক্রমে তুলনা ও যুক্তির প্রয়োগে এবং সার্বিকীকরণ ও সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বোনা হতে লাগল বিজ্ঞানের অপরূপ স্বর্ণজাল।

আমরা স্বপ্ন দেখি,স্বপ্ন দেখি মেধা ও যুক্তির চর্চায় বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে নিয়ে সৃজনশীল ভবিষ্যত গড়ার। কসমিক কালচার সেই জ্ঞান চর্চার পরিবেশ তৈরির স্বপ্ন নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ তারিখ থেকে বরিশাল শহরে কার্যক্রম শুরু করেছিল।

লিগ্যাল স্ট্যাটাস:

কসমিক কালচার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ট্রাস্ট আইনের অধীনে নিবন্ধিত একটি ট্রাস্ট।


অামাদের সম্পর্কে
(পাতাটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet