<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="siteadmin/" -->
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>কসমিক কালচার</title>
	<link>http://www.cosmicculture.org</link>
	<description>বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা ও বিকাশের একটি সংগঠন</description>
	<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:24:14 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>২০২৫ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার: মানবদেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক রহস্য উন্মোচন</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/150</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/150#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 19:16:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জার্ণাল.কসমিক কালচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/150</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="" alt="" /></span>আমাদের শরীরের শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রতিদিন হাজারো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর আক্রমণ থেকে আমাদের সুরক্ষা দেয়। কিন্তু এই ব্যবস্থা যদি নিয়ন্ত্রণ হারায়, তবে সেটিই আমাদের নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে পারে। এই জটিল ভারসাম্যের রহস্য উন্মোচনের জন্য ২০২৫ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী - মেরি ই. ব্রানকো, ফ্রেড র‌্যামসডেল এবং শিমন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের শরীরের শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রতিদিন হাজারো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর আক্রমণ থেকে আমাদের সুরক্ষা দেয়। কিন্তু এই ব্যবস্থা যদি নিয়ন্ত্রণ হারায়, তবে সেটিই আমাদের নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে পারে। এই জটিল ভারসাম্যের রহস্য উন্মোচনের জন্য ২০২৫ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী - মেরি ই. ব্রানকো, ফ্রেড র‌্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি।</p>
<p>তাঁরা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার এক মৌলিক দিক - প্রান্তিক রোগপ্রতিরোধ সহনশীলতা নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, কীভাবে আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজেই নিজের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত থাকে। এই আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, বিশেষ করে ক্যান্সার ও অটোইমিউন রোগের (যেমন টাইপ-১ ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস ইত্যাদি) চিকিৎসায়।</p>
<p><strong>রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা - বিবর্তনের এক বিস্ময়কর সৃষ্টি</strong><br />
মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা বিবর্তনের এক অনন্য সৃষ্টি, যা প্রতিদিন আমাদের শরীরে আক্রমণ করার চেষ্টারত অসংখ্য ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব থেকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অকেজো হয়ে গেলে আমাদের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।</p>
<p>দেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে আশ্চর্য দিক হলো, এটি সূক্ষ্মভাবে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ও শরীরের নিজস্ব কোষ শনাক্ত করতে পারে। আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ জীবাণুগুলো নির্দিষ্ট কোনো বেশে আসে না-তাদের চেহারা একে অপরের থেকে ভিন্ন। এমনকি কিছু জীবাণু মানব কোষের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ছদ্মবেশ ধারণ করে। তাহলে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কীভাবে বুঝতে পারে, কোন কোষটিকে আক্রমণ করতে হবে এবং কোনটিকে রক্ষা করতে হবে? কেনই বা এটি প্রায়শই আমাদের শরীরকে আক্রমণ করে না?</p>
<p>দীর্ঘদিন গবেষকদের ধারণা ছিল যে, তাঁরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানেন - অর্থাৎ, রোগপ্রতিরোধী কোষগুলো কেন্দ্রীয় রোগপ্রতিরোধ সহনশীলতা নামের একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু বাস্তবে আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা তাঁদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। এই কারণেই এবারের নোবেল পুরস্কার প্রান্তিক রোগপ্রতিরোধ সহনশীলতা সংক্রান্ত যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য প্রদান করা হয়েছে।</p>
<p>এই তিন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার নিরাপত্তা রক্ষী - নিয়ন্ত্রক টি কোষ শনাক্ত করেছেন, যা একটি নতুন গবেষণামূলক ক্ষেত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছে। তাঁদের গবেষণা এমন সম্ভাব্য চিকিৎসাপদ্ধতির উন্নয়নের পথ দেখিয়েছে, যা বর্তমানে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে অটোইমিউন রোগগুলির চিকিৎসা বা নিরাময় করা সম্ভব হবে, আরও কার্যকর ক্যান্সার চিকিৎসা প্রদান করা যাবে এবং স্টেম সেল প্রতিস্থাপনের পরে গুরুতর জটিলতা রোধ করা যাবে।</p>
<p><strong>টি কোষ - শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অপরিহার্য খেলোয়াড়</strong><br />
ক. সহায়ক টি কোষ অবিরাম শরীর টহল দেয়। যদি তারা কোনো আক্রমণকারী জীবাণু আবিষ্কার করে, তবে তারা অন্যান্য ইমিউন কোষকে সতর্ক করে, যা তখন আক্রমণ শুরু করে।<br />
খ. ঘাতক টি কোষ ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত কোষগুলিকে নির্মূল করে; তারা টিউমার কোষগুলিকেও আক্রমণ করতে পারে।</p>
<p>সকল টি কোষের পৃষ্ঠে &#8220;টি-কোষ রিসেপ্টর&#8221; নামক বিশেষ প্রোটিন থাকে, যা একধরনের সেন্সরের মতো কাজ করে। এগুলি ব্যবহার করে টি কোষ শরীরের অন্যান্য কোষ স্ক্যান করে দেখে, কোনো আক্রমণ হয়েছে কিনা। প্রতিটি রিসেপ্টরের গঠন আলাদা - অনেকটা জিগস পাজলের টুকরোর মতো। এগুলি বহু জিনের সমন্বয়ে গঠিত যা এলোমেলোভাবে একত্রিত হয়। তাত্ত্বিকভাবে, মানবদেহ ১০¹5-এরও বেশি ধরনের টি কোষ রিসেপ্টর তৈরি করতে পারে।</p>
<p>বিভিন্ন রিসেপ্টর সহ টি কোষের এই বিপুল বৈচিত্র্য নিশ্চিত করে যে সর্বদা কিছু কোষ থাকে যা আক্রমণকারী জীবাণুর আকার শনাক্ত করতে সক্ষম (figure 2), যার মধ্যে ২০১৯ সালে কোভিড-১৯ মহামারী শুরু করা নতুন ভাইরাসের মতো জীবাণুও অন্তর্ভুক্ত। তবে, শরীর অনিবার্যভাবে এমন টি-কোষ রিসেপ্টরও তৈরি করে যা শরীরের নিজস্ব টিস্যুর অংশগুলির সাথে যুক্ত হতে পারে। তাহলে, কোন বিষয়টি টি কোষগুলিকে প্রতিকূল জীবাণুর প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাতে উৎসাহিত করে কিন্তু আমাদের নিজস্ব কোষগুলির প্রতি নয়?</p>
<p><strong> শরীরের নিজস্ব টিস্যু শনাক্তকারী টি কোষের নির্মূল<br />
</strong> ১৯৮০-এর দশকে গবেষকরা দেখেন, টি কোষ যখন থাইমাসে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, তখন তারা এক ধরনের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। যে কোষগুলো শরীরের নিজস্ব প্রোটিনকে আক্রমণ করতে পারে, সেগুলো ধ্বংস হয়ে যায় - এটিই কেন্দ্রীয় সহনশীলতা (চিত্র ৩)।</p>
<p>তবে কিছু বিজ্ঞানী ধারণা করেছিলেন যে, এমন কিছু বিশেষ কোষও আছে যারা এই ফাঁকফোকর পেরিয়ে যাওয়া বিপজ্জনক টি কোষগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাঁরা এই কোষকে বলেছিলেন ‘দমনকারী টি কোষ&#8217;। কিন্তু পরবর্তী গবেষণায় প্রমাণের ঘাটতির কারণে এই ধারণা বাতিল হয়ে যায়।</p>
<p><strong> শিমন সাকাগুচির অন্তর্দৃষ্টি: প্রতিরোধ ব্যবস্থার নিরাপত্তা প্রহরী<br />
</strong> তবে একজন গবেষক, জাপানের নাগোয়ায় আইচি ক্যান্সার সেন্টার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের শিমন সাকাগুচি, প্রচলিত ধারার বিপরীতে গবেষণা চালিয়েছিলেন।</p>
<p>তিনি টি কোষের বিকাশে থাইমাসের ভূমিকা বোঝার জন্য সদ্যোজাত ইঁদুরের শরীর থেকে থাইমাস গ্রন্থি অপসারণ করে পরীক্ষা চালান। অনুমান করা হয়েছিল, এতে ইঁদুরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু যদি জন্মের তিন দিন পর অস্ত্রোপচার করা হয়, দেখা যায় উল্টো ঘটনা - প্রতিরোধ ক্ষমতা অতিসক্রিয় হয়ে ওঠে এবং ইঁদুরগুলো নানা অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত হয়।</p>
<p>এই ঘটনাটি আরও গভীরভাবে বোঝার জন্য, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে সাকাগুচি জেনেটিক্যালি অভিন্ন ইঁদুরের পূর্ণবয়স্ক টি কোষ আলাদা করে থাইমাসবিহীন ইঁদুরের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গেল, এই টি কোষগুলো ইঁদুরকে অটোইমিউন রোগ থেকে রক্ষা করছে! (চিত্র ৪) তখনই তিনি অনুমান করেন - শরীরে এমন এক ধরনের কোষ থাকা উচিত, যা অন্য টি কোষকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।</p>
<p><strong>এক নতুন শ্রেণির টি কোষের সন্ধান<br />
</strong> গবেষকরা টি কোষের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে কোষের পৃষ্ঠে থাকা প্রোটিন ব্যবহার করেন। সহায়ক টি কোষে থাকে CD4 প্রোটিন, আর ঘাতক টি কোষে CD8 প্রোটিন।</p>
<p>সাকাগুচির পরীক্ষায় দেখা যায়, যে কোষগুলো ইঁদুরকে অটোইমিউন রোগ থেকে রক্ষা করেছিল, সেগুলির পৃষ্ঠে ছিল CD4 প্রোটিন - অর্থাৎ সহায়ক টি কোষ। সাধারণত এই কোষগুলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে, কিন্তু তাঁর পরীক্ষায় সেটি নিয়ন্ত্রিত ছিল। তাই তিনি ধারণা করেন, CD4 বহনকারী টি কোষের অবশ্যই একাধিক ধরনের রূপ থাকবে।</p>
<p>দীর্ঘ এক দশকের গবেষণার পর, ১৯৯৫ সালে তিনি দ্য জার্নাল অফ ইমিউনোলজি-তে প্রকাশ করেন যে এই বিশেষ ধরনের টি কোষ কেবল CD4 নয়, বরং CD25 প্রোটিনও বহন করে (চিত্র ৫)। এই নতুন শ্রেণিকে তিনি নাম দেন নিয়ন্ত্রক টি কোষ।</p>
<p>তবে অনেকে তখনও এর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। পরবর্তীতে মেরি ই. ব্রানকো ও ফ্রেড র‌্যামসডেল তাঁর আবিষ্কারকে আরও গভীর প্রমাণ দেন। এখানেই শুরু হয় স্কার্ফি ইঁদুরের অদ্ভুত গল্প।</p>
<p><strong> স্কার্ফি ইঁদুরের গল্প - এক রহস্যময় জিনের সূত্র<br />
</strong> ১৯৪০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি রাজ্যের ওক রিজ ল্যাবরেটরিতে বিকিরণ সংক্রান্ত পরীক্ষায় এক অদ্ভুত প্রজাতির পুরুষ ইঁদুর জন্ম নেয়। তাদের ত্বক ছিল খসখসে ও আঁশযুক্ত, প্লীহা ও লসিকা গ্রন্থি ছিল অস্বাভাবিকভাবে বড় এবং তারা মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাঁচত। এই প্রজাতির নাম দেওয়া হয় স্কার্ফি।</p>
<p>আণবিক বংশগতিবিজ্ঞান তখনো এতোটা বিকাশ ঘটেনি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, রোগটির কারণ একটি এক্স-ক্রোমোজোমে অবস্থিত পরিব্যক্তি। পুরুষ ইঁদুরদের অর্ধেকই এতে আক্রান্ত হয়, আর স্ত্রী ইঁদুররা বেঁচে যায়, কারণ তাদের দুইটি এক্স-ক্রোমোজোমের একটিতে সুস্থ ডিএনএ থাকে। এভাবে স্ত্রী ইঁদুরগুলি স্কার্ফি পরিব্যক্তিটি নতুন প্রজন্মের কাছে প্রেরণ করে।</p>
<p>১৯৯০-এর দশকে যখন জিনোম বিশ্লেষণের প্রযুক্তি উন্নত হয়, গবেষকরা অনুসন্ধান শুরু করলেন কেন পুরুষ স্কারফি ইঁদুরগুলো এত অসুস্থ হয়ে যায়।  দেখা গেল যে তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ টিস্যু ধ্বংসকারী টি কোষ দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছিল। কোনো কারণে স্কার্ফি পরিব্যক্তিটি প্রতিরোধ ব্যবস্থার মধ্যে এক ধরনের বিদ্রোহ সৃষ্টি করছিল।</p>
<p><strong> ব্রানকো ও র‌্যামসডেলের অনুসন্ধান - মিউটেন্ট জিনের খোঁজে<br />
</strong> বায়োটেক কোম্পানি সেলটেক কাইরোসায়েন্সে কর্মরত মেরি ব্রানকো ও ফ্রেড র‌্যামসডেল এই পরিব্যক্তিতে গভীর আগ্রহী ছিলেন। তাঁরা মনে করেন, যদি স্কার্ফি ইঁদুরের রোগের আণবিক রহস্য বোঝা যায়, তবে অটোইমিউন রোগগুলির উৎপত্তি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া যাবে। তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন স্কার্ফি ইঁদুরের মিউট্যান্ট জিন শনাক্ত করবেন। কিন্তু তখন এটি ছিল খড়ের গাদা থেকে সূঁচ খোঁজার মতো কঠিন কাজ - কারণ ইঁদুরের এক্স-ক্রোমোজোমে প্রায় ১৭ কোটি বেস জোড়া নিউক্লিওটাইড রয়েছে।</p>
<p>ম্যাপিংয়ে দেখা গিয়েছিল যে স্কার্ফি পরিব্যক্তি এক্স-ক্রোমোজোমের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থান করছে। ব্রানকো এবং র‌্যামসডেল সম্ভাব্য এলাকাটি প্রায় ৫০০,০০০ নিউক্লিওটাইডে সংকুচিত করতে সফল হন। এরপর তারা সেই এক্স-ক্রোমোজোমের অংশটি বিস্তারিতভাবে ম্যাপ করার বিশাল কাজটি শুরু করেন। এই কাজটি করতে অনেক সময় লেগেছিল। যখন ব্রানকো এবং র‌্যামসডেল শেষ করলেন, তখন তারা নিশ্চিত করতে পারলেন যে ওই এলাকায় ২০টি সম্ভাব্য জিন রয়েছে। তাদের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ছিল সুস্থ ইঁদুর এবং স্কার্ফি ইঁদুরগুলিতে এই জিনগুলির তুলনা করা। তারা একটির পর একটি জিন পরীক্ষা করলেন এবং বিশতম এবং শেষ জিনটিতে তারা অবশেষে স্কার্ফি পরিব্যক্তিটি খুঁজে পেয়েছিলেন। (চিত্র ৬)</p>
<p>এটি পূর্বে অজানা একটি জিন, তবে ‘ফর্কহেড বক্স&#8217; বা FOX জিন পরিবারভুক্ত, যা অন্য জিনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। তাঁরা এই নতুন জিনটির নাম দেন Foxp3।</p>
<p><strong> আবিষ্কার উন্মোচন করল মানব রোগের রহস্য<br />
</strong> ব্রানকো ও র‌্যামসডেল তাদের কাজের সময় সন্দেহ করা শুরু করেছিলেন যে একটি বিরল অটোইমিউন রোগ IPEX, যা এক্স-ক্রোমোজোমের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেটি স্কার্ফি ইঁদুরের রোগের মানব রূপ হতে পারে। নতুন আবিষ্কৃত জিনের তথ্য সংরক্ষণকারী ডাটাবেস খুঁজে তারা মানবদেহের Foxp3-এর সমতুল্য জিন শনাক্ত করেন। বিশ্বজুড়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের সহায়তায়, তারা IPEX-এ আক্রান্ত ছেলেদের নমুনা সংগ্রহ করেন। নমুনাগুলো ম্যাপ করার পর তারা সত্যিই FOXP3 জিনে ক্ষতিকারক পরিব্যক্তি খুঁজে পান।</p>
<p>২০০১ সালে নেচার জেনেটিক্স-এ প্রকাশিত এই ফলাফলে দেখা যায়, স্কার্ফি ইঁদুর ও IPEX রোগের আণবিক ভিত্তি এক ও অভিন্ন। এতে স্পষ্ট হয় - FOXP3 জিনই সাকাগুচির আবিষ্কৃত নিয়ন্ত্রক টি কোষের বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে।</p>
<p><strong> নিয়ন্ত্রক টি কোষ - শরীরের নিরাপত্তা রক্ষী<br />
</strong> দুই বছর পর শিমন সাকাগুচি এবং অন্যান্য গবেষকরা প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে FOXP3 জিনটি নিয়ন্ত্রক টি কোষের বিকাশকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই কোষগুলি অন্যান্য টি কোষকে ভুলবশত শরীরের নিজস্ব টিস্যুতে আক্রমণ না করার জন্য বাধা দেয় (চিত্র ৭), যা প্রান্তিক রোগপ্রতিরোধ সহনশীলতার জন্য অপরিহার্য। এছাড়াও, নিয়ন্ত্রক টি কোষ নিশ্চিত করে যে, আক্রমণকারী জীবাণু ধ্বংসের পর রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা অতিসক্রিয় হয়ে না থাকে।</p>
<p>এই আবিষ্কার সম্ভাব্য নতুন চিকিৎসা-পদ্ধতির উন্নয়নে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, টিউমার প্রায়ই বিপুল সংখ্যক নিয়ন্ত্রক টি কোষ আকর্ষণ করে, যা তাদের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গবেষকরা এখন এই ‘প্রতিরক্ষার প্রাচীর&#8217; ভাঙার উপায় খুঁজছেন, যাতে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা টিউমারের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়তে পারে।</p>
<p>অন্যদিকে, অটোইমিউন রোগগুলিতে গবেষকরা চেষ্টা করছেন নিয়ন্ত্রক টি কোষের সংখ্যা বাড়াতে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীদের ইন্টারলিউকিন-২ দেওয়া হচ্ছে, যা এই কোষগুলির বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। তাঁরা আরও যাচাই করছেন যে, অঙ্গ প্রতিস্থাপনের পর প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণেও ইন্টারলিউকিন-২ কার্যকর হতে পারে কিনা।</p>
<p>আরেকটি কৌশলে গবেষকরা রোগীর শরীর থেকে নিয়ন্ত্রক টি কোষ আলাদা করে পরীক্ষাগারে বৃদ্ধি করছেন, পরে তা পুনরায় শরীরে ফিরিয়ে দিচ্ছেন, যাতে রোগীর দেহে এই কোষের সংখ্যা বাড়ে। কিছু ক্ষেত্রে, টি কোষের পৃষ্ঠে বিশেষ অ্যান্টিবডি সংযোজন করা হয়, যা ঠিকানার লেবেলের মতো কাজ করে - ফলে গবেষকরা এগুলোকে নির্দিষ্ট অঙ্গে পাঠাতে পারেন, যেমন প্রতিস্থাপিত যকৃত বা কিডনিতে এবং সেগুলোকে প্রতিরোধ ব্যবস্থার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারেন।</p>
<p>এই সমস্ত গবেষণা আমাদের দেখিয়েছে, মানবদেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা কত সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রিত ও ভারসাম্যপূর্ণ। মেরি ই. ব্রানকো, ফ্রেড র‌্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচির আবিষ্কার কেবল বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি নয়, মানবকল্যাণের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। তাঁদের কাজের ফলেই আজ আমরা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারি - কীভাবে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে অটোইমিউন রোগ, ক্যান্সার ও প্রতিস্থাপনজনিত জটিলতা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়।</p>
<p><strong> বিজ্ঞানীদের পরিচয়<br />
</strong> মেরি ই. ব্রানকো, জন্ম ১৯৬১। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি, প্রিন্সটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি। ইনস্টিটিউট ফর সিস্টেমস বায়োলজি, সিয়াটল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এ সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার।</p>
<p>ফ্রেড র‌্যামসডেল, জন্ম ১৯৬০। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস এঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৮৭ সালে পিএইচডি। সোনোমা বায়োথেরাপিউটিক্স, সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এ বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা।</p>
<p>শিমোন সাকাগুচি, জন্ম ১৯৫১। কিয়োটো ইউনিভার্সিটি, জাপান থেকে ১৯৭৬ সালে এমডি এবং ১৯৮৩ সালে পিএইচডি। ওসাকা ইউনিভার্সিটি, জাপান-এর ইমিউনোলজি ফ্রন্টিয়ার রিসার্চ সেন্টারে বিশিষ্ট অধ্যাপক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/150/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>“সামাজিক সম্প্রীতি, মানবতার ভিত্তি’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হলো সেইলর দ্বিতীয় বরিশাল ম্যারাথন ২০২২</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/148</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/148#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 05 Mar 2022 15:37:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কার্যক্রম প্রতিবেদন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/148</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2023/05/barisal-marathon-20221-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
কসমিক কালচার-এর উদ্যোগে বরিশাল শহরে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো সেইলর দ্বিতীয় বরিশাল ম্যারাথন ২০২২। ম্যারাথন, হাফ ম্যারাথন, ১০ কিমি. ও ৫ কিমি. রান এই চারটি ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় সাড়ে চারশ&#8217; রানার এতে অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। বেসরকারিভাবে প্রথমবারের মতো দেশে AIMS সার্টিফাইড ম্যারাথন অর্থাৎ ৪২.১৯৫ কিমি. দূরত্বের এই ইভেন্টটি সরকারি ব্রজমোহন কলেজ থেকে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p align="justify"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2023/05/barisal-marathon-20221-thumbnail.jpg" alt="“সামাজিক সম্প্রীতি, মানবতার ভিত্তি’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হলো সেইলর দ্বিতীয় বরিশাল ম্যারাথন ২০২২" /><br />
কসমিক কালচার-এর উদ্যোগে বরিশাল শহরে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো সেইলর দ্বিতীয় বরিশাল ম্যারাথন ২০২২। ম্যারাথন, হাফ ম্যারাথন, ১০ কিমি. ও ৫ কিমি. রান এই চারটি ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় সাড়ে চারশ&#8217; রানার এতে অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। বেসরকারিভাবে প্রথমবারের মতো দেশে AIMS সার্টিফাইড ম্যারাথন অর্থাৎ ৪২.১৯৫ কিমি. দূরত্বের এই ইভেন্টটি সরকারি ব্রজমোহন কলেজ থেকে শুরু হয়ে নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় কলেজ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। সকাল সাড়ে পাঁচটায় ম্যারাথনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নজরুল হোসেন। স্বাগত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও পারষ্পরিক সহানুভূতিশীলতার মধ্যে দিয়ে যেমন সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠন সম্ভব, তেমনি মানবিক বিকাশের পথও সুগম হয়। তিনি এই ধরনের সামাজিক উদ্যোগের সাধুবাদ জানান এবং এর ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন। ম্যারাথনের পৃষ্ঠপোষকতায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল দেশের অন্যতম পোষাক ও লাইফস্টাইল ব্রান্ড সেইলর।<br />
এই ম্যারাথনে পুরুষদের মধ্যে ম্যারাথন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন আরিফুর রহমান, হাফ ম্যারাথন ক্যাটাগরিতে মোঃ আলামিন, ১০ কিমি. ক্যাটাগরিতে মোঃ নয়ন, ৫ কিমি. ক্যাটাগরিতে সাজ্জাদুল ইসলাম। নারীদের মধ্যে হাফ ম্যারাথন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন নাসরিন বেগম, ১০ কিমি. ক্যাটাগরিতে সুমনা হক, ৫ কিমি. ক্যাটাগরিতে শাহানা লিলি।<br />
আমরা মনে করি এই অলাভজনক ও সামাজিক উদ্যোগ বৃহত্তর বরিশালে ম্যারাথন ইভেন্টকে সাধারণের কাছে জনপ্রিয় করে তুলবে এবং বৃহত্তর বরিশালের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে দেশের ও বাইরের মানুষদের কাছে উপস্থাপন করবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/148/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পর্ব ৩: চাঁদে মানুষের প্রথম অবতরণ</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/143</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/143#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Jul 2020 03:21:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/143</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/09/ep3-banner-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
২০ জুলাই ১৯৬৯ সালে, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদে প্রথম মানুষের পদার্পণ ঘটেছিল। এই দিনে চাঁদের বুকে নিল আর্মস্ট্রং প্রথম পা রাখেন। তাঁর কিছুক্ষণ পরই চাঁদে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পা রাখেন বাজ অলড্রিন। তাঁরা দুজনই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানে করে চাঁদের বুকে অবতরণ করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রা উপলক্ষ্যে কসমিক কালচার অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা (পর্ব-৩) অনুষ্ঠিত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/09/ep3-banner-thumbnail.jpg" alt="পর্ব ৩: চাঁদে মানুষের প্রথম অবতরণ" /><br />
২০ জুলাই ১৯৬৯ সালে, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদে প্রথম মানুষের পদার্পণ ঘটেছিল। এই দিনে চাঁদের বুকে নিল আর্মস্ট্রং প্রথম পা রাখেন। তাঁর কিছুক্ষণ পরই চাঁদে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পা রাখেন বাজ অলড্রিন। তাঁরা দুজনই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানে করে চাঁদের বুকে অবতরণ করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রা উপলক্ষ্যে কসমিক কালচার অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা (পর্ব-৩) অনুষ্ঠিত হয় ২০ জুলাই ২০২০, বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা।<br />
অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন: শৌখিন জ্যোতর্বিদ ও সংগঠক এফ. আর. সরকার এবং বিজ্ঞান বক্তা ও বিজ্ঞান সাময়িকী মহাবৃত্ত সম্পাদক আসিফ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/143/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পর্ব ২: আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/135</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/135#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 29 Jun 2020 18:15:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/135</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/07/ep2-banner-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
গ্রহাণু বা অ্যাস্টরয়েড মূলত পাথরের খণ্ড যা মহাকাশে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। সৌরজগতের বেশিরভাগ গ্রহাণুই সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণরত অবস্থায় মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝে প্রধান গ্রহাণু বেষ্টনীতে পাওয়া যায়, যা মূলত ৪৬০ কোটি বছর আগে আমাদের সৌরজগতের প্রাথমিক গঠনের পরে ধুলিকণা, পাথরের অবশিষ্টাংশ।
গ্রহাণু সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জানা ও এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্য ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/07/ep2-banner-thumbnail.jpg" alt="আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস উপলক্ষ্যে কসমিক কালচার অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনার পর্ব-২ আয়োজন করা হয়" /><br />
গ্রহাণু বা অ্যাস্টরয়েড মূলত পাথরের খণ্ড যা মহাকাশে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। সৌরজগতের বেশিরভাগ গ্রহাণুই সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণরত অবস্থায় মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝে প্রধান গ্রহাণু বেষ্টনীতে পাওয়া যায়, যা মূলত ৪৬০ কোটি বছর আগে আমাদের সৌরজগতের প্রাথমিক গঠনের পরে ধুলিকণা, পাথরের অবশিষ্টাংশ।</p>
<p style="text-align: justify">গ্রহাণু সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জানা ও এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্য নিয়েই বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে ২০১৫ সালের ৩০ জুন প্রথমবারের মতো পালন করা হয় আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস। পরে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় প্রতি বছর ৩০ জুন আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই দিবসটি বিশ্বব্যাপি সচেতনতামূলক কর্মসূচির একটি অংশ হিসেবে পালিত হয় যেখানে বিশ্বের মানুষ গ্রহাণু সম্পর্কে জানতে পারে, এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং ভবিষ্যতে এর প্রভাব থেকে নিজেদের বিশ্বকে, সমাজ ও সভ্যতাকে কীভাবে রক্ষা করা যেতে পারে তার ব্যাপারে সচেষ্ট হতে পারে। প্রতি বছর এই গ্রহাণু দিবসটি সাম্প্রতিক ইতিহাসের বৃহত্তম প্রভাব অর্থাৎ ১৯০৮ সালে সাইবেরিয়ার তুঙ্গাসকার ঘটনা স্মরণে পালিত হয়।</p>
<p style="text-align: justify">আমরা প্রতি মুহুর্তে সৌরজগতের বিবর্তন এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর ইতিহাসে গ্রহাণুর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে পারছি। প্রতিদিন মহাকাশের ছোট ছোট অনেক ঘটনার প্রভাব পৃথিবীতে ঘটছে এবং পৃথিবীর প্রভাব ইতিহাস থেকে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন পৃথিবীতে আরো বড় আকারের এরকম মহাজাগতিক প্রভাব আসা দৈবাৎ নয়।</p>
<p style="text-align: justify">করোনাভাইরাস বা কোন সংক্রামক রোগ কখনোই মানবসভ্যতাকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করার ক্ষমতা রাখে না। কিন্তু পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাস দেখিয়েছে, ১০ কিলোমিটারের অধিক চওড়া একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে বিস্ফোরণের তেজষ্ক্রিয়তা ও পরিবেশগত বিপর্যয়ে মানবসভ্যতাসহ অধিকাংশ প্রাণী ও উদ্ভিদজগত চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify">তাই আন্তর্জাতিক গ্রহাণু  দিবস পালনের লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে গ্রহাণু বিজ্ঞান এবং গ্রহের প্রতিরক্ষার জন্য পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন করা। এই উপলক্ষ্যে কসমিক কালচার অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনার পর্ব-২ আয়োজন করা হয়েছে এই দিবসকে সামনে রেখে। আমরা মনে করি গ্রহাণু দিবস উদযাপনের মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা ও বিজ্ঞানঘনিষ্টতা বৃদ্ধি পাবে, যা পৃথিবী ও এর সভ্যতাকে মহাজাগতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষায় পথ দেখাবে। অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের কর্মসচিব <strong>গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়</strong> এবং বিজ্ঞান বক্তা, লেখক ও বিজ্ঞান সাময়িকী মহাবৃত্ত সম্পাদক <strong>আসিফ</strong>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/135/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পর্ব ১: আংশিক সূর্যগ্রহণ</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/142</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/142#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 21 Jun 2020 15:49:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/142</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/07/ep1-banner-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
২১ জুন ২০২০ বাংলাদেশে থেকে দৃশ্যমান ছিল আংশিক সূর্যগ্রহণ। আকাশ মেঘমুক্ত থাকা সাপেক্ষে এই মহাজাগতিক ঘটনাটি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অবলোকন করা গিয়েছে। ৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট স্থায়ী এই আংশিক সূর্যগ্রহণ শুরু হয় বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সকাল ১১:২৩:০১ টায় এবং আংশিক সূর্যগ্রহণ শেষ হয় দুপুর ০২:৫২:০৫টায়। সূর্যগ্রহণ একটি মহাজাগতিক ঘটনা। যা সুদূর অতীত থেকে আজও ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/07/ep1-banner-thumbnail.jpg" alt="আংশিক সূর্যগ্রহণ নিয়ে কসমিক কালচার অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা পর্ব-১ অনুষ্ঠিত হয়" /><br />
২১ জুন ২০২০ বাংলাদেশে থেকে দৃশ্যমান ছিল আংশিক সূর্যগ্রহণ। আকাশ মেঘমুক্ত থাকা সাপেক্ষে এই মহাজাগতিক ঘটনাটি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অবলোকন করা গিয়েছে। ৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট স্থায়ী এই আংশিক সূর্যগ্রহণ শুরু হয় বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সকাল ১১:২৩:০১ টায় এবং আংশিক সূর্যগ্রহণ শেষ হয় দুপুর ০২:৫২:০৫টায়। সূর্যগ্রহণ একটি মহাজাগতিক ঘটনা। যা সুদূর অতীত থেকে আজও পর্যন্ত মানুষকে আকৃষ্ট করছে।</p>
<p style="text-align: justify">আংশিক সূর্যগ্রহণ নিয়ে কসমিক কালচার অনলাইন বিজ্ঞান আলোচনা পর্ব-১ অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান আলোচনায় অংশ নেন উন্মাদ সম্পাদক ও রম্য লেখক আহসান হাবীব এবং বিজ্ঞান বক্তা ও লেখক আসিফ। গত ২০ জুন রাত ৮টায় ফেসবুক লাইভে এই  আয়োজনটি হয়েছিল।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/142/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নিয়ান্ডারথাল থেকে হোমো স্যাপিয়েন্স: টিকে থাকার গল্প - বরিশালে ৪ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞান বক্তৃতা</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/79</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/79#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2020 20:04:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ব্রেকিং নিউজ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/79</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2026/07/cosmic-poster-1-web-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
নিয়ান্ডারথাল-আধুনিক মানুষ বা হোমো স্যাপিয়েন্স-এর সবচেয়ে নিকটতম বিলুপ্ত মানবপ্রজাতি। প্রায় ৪ লক্ষ বছর ধরে তারা ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বসবাস করেছে। তারা আগুন ব্যবহার করত, পাথরের উন্নত হাতিয়ার তৈরি করত এবং কঠিন বরফযুগের পরিবেশেও দক্ষতার সঙ্গে টিকে ছিল। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়, তারা আহত ও অসুস্থ সঙ্গীদের যত্ন নিত এবং সামাজিকভাবে সহযোগিতামূলক ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2026/07/cosmic-poster-1-web-thumbnail.jpg" alt="নিয়ান্ডারথাল থেকে হোমো স্যাপিয়েন্স: টিকে থাকার গল্প" /><br />
নিয়ান্ডারথাল-আধুনিক মানুষ বা হোমো স্যাপিয়েন্স-এর সবচেয়ে নিকটতম বিলুপ্ত মানবপ্রজাতি। প্রায় ৪ লক্ষ বছর ধরে তারা ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বসবাস করেছে। তারা আগুন ব্যবহার করত, পাথরের উন্নত হাতিয়ার তৈরি করত এবং কঠিন বরফযুগের পরিবেশেও দক্ষতার সঙ্গে টিকে ছিল। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়, তারা আহত ও অসুস্থ সঙ্গীদের যত্ন নিত এবং সামাজিকভাবে সহযোগিতামূলক জীবনযাপন করত। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, আজকের আফ্রিকার বাইরের অধিকাংশ মানুষের জিনোমে এখনো প্রায় ১-২ শতাংশ নিয়ান্ডারথালের ডিএনএ রয়ে গেছে, যা প্রমাণ করে যে একসময় দুই মানবপ্রজাতির মধ্যে আন্তঃপ্রজনন ঘটেছিল। তবু প্রায় ৪০ হাজার বছর আগে নিয়ান্ডারথালরা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়। কেন তারা বিলুপ্ত হলো, আর কেন আমরা টিকে গেলাম? গবেষকেরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রতিকূলতার পাশাপাশি আধুনিক মানুষের মতো শক্তিশালী সামাজিক ও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারায় নিয়ান্ডারথালরা পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু আমরা? আজকের মানুষ কি একইভাবে কোনো মহাবিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? নাকি আমাদের সবচেয়ে বড় হুমকি প্রকৃতি নয়-আমাদের নিজেদের সৃষ্টি প্রযুক্তি, যুদ্ধ এবং আত্মধ্বংসের প্রবণতা? মানবসভ্যতার অস্তিত্ব, টিকে থাকা ও ভবিষ্যৎকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধানে কসমিক কালচারের দিনব্যাপি বিজ্ঞান আয়োজন।</p>
<p>বরিশালের সৃজনশীল বুকশপ ‘বনলতা বুক ক্যাফে&#8217;-তে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার অনুষ্ঠানে থাকছে ছোটদের চিত্রাঙ্কণ, কুইজ, বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও বিশেষ কমিশনে বিজ্ঞান বই ক্রয়ের ব্যবস্থা এবং দর্শনীর বিনিময়ে বিজ্ঞান বক্তৃতা। &#8220;নিয়ান্ডারথাল থেকে হোমো স্যাপিয়েন্স: টিকে থাকার গল্প&#8221; শিরোনামে বক্তৃতা করবেন বিজ্ঞান বক্তা ও লেখক এবং মহাবৃত্ত সম্পাদক আসিফ। সকল আয়োজনেই নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ উন্মুক্ত থাকলেও টিকিটের বিনিময়ে বিজ্ঞান বক্তৃতানুষ্ঠানে অংশ নিতে হবে। বনলতা বুক ক্যাফে থেকে সরাসরি বা অনলাইমের মাধ্যমে টিকিট ক্রয় করা যাবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সহ-আয়োজক হিসেবে থাকছে বনলতা বুক ক্যাফে এবং সহযোগিতায় ডিসকাশন প্রজেক্ট ও চন্দ্রদ্বীপ.কম।<br />
<font color="#999999"> </font></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/79/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>এক মহাজাগতিক অভিযাত্রা</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/28</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/28#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2020 13:03:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কসমিক কালচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/28</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/04/1st-cosmic-event-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
২০০৩ সালের ঘটনা। ৬০ হাজার বছরের ব্যবধানে মঙ্গল গ্রহ তখন পৃথিবীর সাথে নিকটতম অবস্থানে এসেছে। সারা বিশ্বের মানুষ উৎসুক হয়ে রয়েছে ‘মঙ্গল&#8217; বরণ নিয়ে, পিছিয়ে ছিল না বাংলাদেশও। শৌখিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে দেশব্যাপি আয়োজন করা হয় ‘মঙ্গল গ্রহ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প&#8217;। এরই ধারাবাহিকতায় সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য লালিত প্রাচীণ নগরী বরিশালে ৫ সেপ্টেম্বর ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/04/1st-cosmic-event-thumbnail.jpg" alt="২০০৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বরিশাল শহরে মঙ্গল গ্রহ পর্যবেক্ষণের মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কসমিক কালচার এর কার্যক্রম। টেলিস্কোপে মঙ্গল গ্রহ পর্যবেক্ষণ করছেন বরিশালের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রী নিখিল সেন। স্থান: অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, হাসপাতাল রোড, বরিশাল।" /><br />
২০০৩ সালের ঘটনা। ৬০ হাজার বছরের ব্যবধানে মঙ্গল গ্রহ তখন পৃথিবীর সাথে নিকটতম অবস্থানে এসেছে। সারা বিশ্বের মানুষ উৎসুক হয়ে রয়েছে ‘মঙ্গল&#8217; বরণ নিয়ে, পিছিয়ে ছিল না বাংলাদেশও। শৌখিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে দেশব্যাপি আয়োজন করা হয় ‘মঙ্গল গ্রহ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প&#8217;। এরই ধারাবাহিকতায় সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য লালিত প্রাচীণ নগরী বরিশালে ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৩ বসেছিল মঙ্গলের হাট। আগে থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে আয়োজন সম্পর্কে প্রচারের কারণে সেদিন সন্ধ্যা থেকেই কয়েক হাজার মানুষের ভীড় উপচে পড়েছিল নগরীর অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। টেলিস্কোপে অনেক রাত পর্যন্ত মঙ্গল গ্রহ পর্যবেক্ষণে হাজারো ঔৎসুক মানুষের জমায়েত ছিল বরিশালের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। মঙ্গল যেন সেদিন খুলে দিয়েছিল বিজ্ঞানচর্চার জানালাটাকে।</p>
<p style="text-align: justify">বরিশালের এই আয়োজনে সার্বিকভাবে যুক্ত ছিল এসোসিয়েশনের বরিশাল প্রতিনিধিসহ প্রাণ চাঞ্চল্যে ভরা বিজ্ঞানমনস্ক কিছু তরুণ। তারা অবাক বিস্ময়ে সেদিন উপলব্দি করেছিল সামাজিক-সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় পরিমন্ডলের বাইরে সাধারণ মানুষের জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি প্রবল আকাঙ্খা রয়েছে, যা এই তরুণ কর্মীদের মাঝে নতুন ভাবনার জন্ম দিয়েছিল। বিজ্ঞানচর্চাও হয়ে উঠতে পারে সংস্কৃতির একটি অংশ। এই বোধ থেকেই বিজ্ঞানচর্চাকে ছড়িয়ে দিতে সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে গঠিত হয় ‘কসমিক কালচার&#8217;। ২০০৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কসমিক কালচারের যাত্রা শুরু।<br />
<img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/04/1-thumbnail.jpg" alt="কসমিক কালচার-এর প্রথম সাংগঠনিক সভার পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অনীশ মণ্ডল (মাঝে) সহ উপস্থিত সদস্যদের একাংশ। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৩, হাসপাতাল রোড, বরিশাল।" /></p>
<p style="text-align: justify">বিজ্ঞান সংগঠন মানে এই নয় শুধুমাত্র মেলায় বিজ্ঞান মেলায় প্রজেক্ট প্রদর্শনী করা। বরং কসমিক কালচার চেয়েছে ভিন্ন কিছু। স্বপ্ন দেখেছে মেধা ও যুক্তির চর্চায় বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে নিয়ে সৃজনশীল ভবিষ্যত গড়ার। কারণ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তিগত ধারণার মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়নের চেতনা ও ধারণা বিকশিত করা যত সহজ ও বাস্তবসম্মতভাবে সম্ভব, তা আর কোনভাবেই সম্ভব নয়। মানুষকে কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের পশ্চাদমুখিতাকে শনাক্ত করিয়ে দিতে পারলে নিজে থেকেই তার মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও বিজ্ঞানঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠবে। এই অবস্থান ও বিবেচনা থেকেই ‘কসমিক কালচার&#8217; সক্রিয় ও তৎপর।</p>
<p style="text-align: justify">কয়েকজন তরুণের নিরন্তর প্রচেষ্টার পাশাপাশি কসমিক কালচারের সাংগঠনিক রূপ দেওয়া থেকে শুরু করে সবসময়েই প্রেরণা জুগিয়ে পাশে থেকেছেন প্রিয় শিক্ষক - ড. অনীশ মণ্ডল ও বিকাশ ভূষণ মণ্ডল। তারুণ্যের উচ্ছ্বলতায় ভরপুর এই দু&#8217;জন তাদের মেধা ও শ্রমে স্বপ্ন দেখার সাহস জুগিয়েছেন বরাবর। ধীরে ধীরে এর সাথে যুক্ত হয়েছে আরও অনেক নাম &#8230;.. প্রাণোচ্ছ্লতায় ভরা আরও কিছু উদ্যোগী ও উদ্যোমী মানুষ।</p>
<p style="text-align: justify">একটি সফল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পৃষ্ঠপোষকতার। বাংলাদেশে কনসার্ট বা উৎসবের জন্য খুব সহজেই পৃষ্ঠপোষক পাওয়া গেলেও বিজ্ঞান আয়োজনের ক্ষেত্রে তেমনটি পাওয়া দুষ্কর। আর বরিশালের প্রেক্ষাপটে এটি চিন্তা করাও যেন বারণ। একবারের ঘটনা, চাঁদে মানুষের অবতরণের (২১ জুলাই ১৯৬৯, অ্যাপোলো-১১ অভিযান) ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় একটি বিজ্ঞান আলোচনা এবং চন্দ্রাভিযানের ওপর পোস্টার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর। এজন্য ঢাকা থেকে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন এর সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় উপকরণ বরিশালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বিপত্তি বাধে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর যোগাড় করা নিয়ে। কারণ সে সময় বরিশালে কোন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ভাড়া পাওয়া যেত না। অনেক দেন-দরবারের পর তথ্য অধিদপ্তর থেকে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহারের জন্য দিলেও নতুন এক বিপত্তি উপস্থিত। অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিনামূল্যে যে হলরুমটি পাওয়ার কথা ছিল সেটি নির্ধারিত দিনে হঠাৎ করেই বাতিল হয়ে যায়। এদিকে প্রস্তুতিতে বাজেটের পুরোটাই খরচ হয়ে যাওয়ায় সেই মুহুর্তে টাকা যোগাড় করে নতুনভাবে হলরুম ভাড়া করার সামর্থ্য আমাদের ছিল না। বিকল্প কোন উপায়ও ছিল না পরিস্থিতি মোকাবেলার। ফলে নিতান্ত বাধ্য হয়েই ভারাক্রান্ত মনে বাতিল করে দিতে হয় সমস্ত আয়োজন। শুরুর দিকে সময়মতো টাকার অভাবে অনেক আয়োজন যথাযথভাবে আয়োজন করা সম্ভব না হলেও পরবর্তীতে সংগঠনের অধিকাংশ কার্যক্রমের ব্যয় কারও মুখাপেক্ষা না করেই হাসি মুখে বহন করেছে সদস্যরাই। &#8220;ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো&#8221; প্রবাদটির সার্থকতা কসমিক কালচারের সদস্যদের নিজেদের তাগিদ আর সদিচ্ছার মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যায় এখনো।</p>
<p style="text-align: justify">আন্তঃনাক্ষত্রিক সভ্যতার সন্ধানে উন্নত বিশ্ব যখন অগ্রসরমান, তখন আমরা পশ্চাৎপদতা আর গতানুগতিকতার আটপৌঢ়ে চিন্তায় আবর্তিত হচ্ছি প্রতিনিয়ত। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে প্রযুক্তির নানাবিধ ব্যবহার অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠলেও চিন্তায় ও মননে বিজ্ঞানমনস্কতা অনেকাংশেই তৈরি হয়নি। এই অনগ্রসরতার দৃশ্যপট বদলে দেওয়ার দুঃসাহস নিয়ে কসমিক কালচার স্বপ্ন দেখে আজ থেকে ২৬শত বছর পূর্বে ঈজিয়ান সাগরের পূর্বাঞ্চলে গড়ে ওঠা আয়োনীয় সভ্যতার কিংবা ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী আলেক্সান্দ্রিয়া নগরীর পুনরাবৃত্তির, যেখানে মুক্তভাবে জ্ঞানচর্চায় আর যৌক্তিক চিন্তায় বেড়ে উঠবে আগামী প্রজন্ম। যে ছাড়িয়ে যাবে নিজেকে, ছাড়িয়ে যাবে বর্তমানকে&#8230;..হয়ে উঠবে মহাজাগতিক পথিক। মানবিক স্বপ্নে বিভোর আমরা সেই ভবিষ্যত বিজ্ঞান রেণেঁসার জন্য প্রতীক্ষিত।</p>
<p style="text-align: justify">যারা আমাদের কাজে বিভিন্ন সময়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা নিয়ে পাশে থেকেছেন সকলের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যত কার্যক্রম পরিচালনায় আপনাদের সকলের সহযোগিতা আরও বেশি কামনা করছি। বিজ্ঞানমনস্ক ও বিজ্ঞানঘনিষ্ঠ ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ার এই কার্যক্রমে তাই  আপনাকে একান্তভাবে আমন্ত্রণ!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/28/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আপনিও লিখুন</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/26</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/26#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2020 12:48:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জার্ণাল.কসমিক কালচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/26</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/03/image.jpg" alt="" /></span>&#160;

লেখক হিসেবে বিবেচিত যেকেউ কসমিক কালচার .সায়েন্স-এ লেখা পাঠাতে পারবেন। এখানে বিজ্ঞানের নিয়মিত সংবাদের বাইরেও বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যমূলক লেখা, নিবন্ধ ও অন্যান্য বিভাগ রয়েছে।
যারা লেখা পাঠাতে চান, সবচেয়ে ভাল হয় তারা যদি তাদের লেখা ইউনিকোডে লিখে পাঠান। লেখা পাঠাতে আমাদের ই-মেইল করুন: i&#110;&#102;o&#64;&#99;os&#109;i&#99;c&#117;l&#116;&#117;re.&#111;&#114;g এই ঠিকানায়। সরাসরি ই-মেইলের বডিতে লিখতে পারেন অথবা ওয়ার্ড ফাইলের লেখা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">&nbsp;</p>
<p style="text-align: center"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/03/image.jpg" alt="বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে আপনিও অংশ নিন" style="text-align: center" /></p>
<p style="text-align: justify">লেখক হিসেবে বিবেচিত যেকেউ কসমিক কালচার .সায়েন্স-এ লেখা পাঠাতে পারবেন। এখানে বিজ্ঞানের নিয়মিত সংবাদের বাইরেও বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যমূলক লেখা, নিবন্ধ ও অন্যান্য বিভাগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify">যারা লেখা পাঠাতে চান, সবচেয়ে ভাল হয় তারা যদি তাদের লেখা ইউনিকোডে লিখে পাঠান। লেখা পাঠাতে আমাদের ই-মেইল করুন: &#105;&#110;f&#111;&#64;c&#111;s&#109;i&#99;cu&#108;t&#117;&#114;&#101;&#46;&#111;r&#103; এই ঠিকানায়। সরাসরি ই-মেইলের বডিতে লিখতে পারেন অথবা ওয়ার্ড ফাইলের লেখা অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে পাঠাতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify">বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা ছাড়াও বৈজ্ঞানিক ও যুক্তিবাদী চিন্তাধারার সাথে সম্পর্কযুক্ত রচনাকে আমরা স্বাগত জানাই। প্রয়োজনবোধে লেখা সম্পাদনা করা হতে পারে। তবে লেখা অবশ্যই কসমিক কালচারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে এবং আমাদের মূলনীতির সাথে একাত্ম হতে হবে।  এটি সম্পূর্ণভাবে একটি অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ, তাই লেখকদের কোন পারিশ্রমিক দেওয়ার সুযোগ নেই। বাংলা ভাষার মাধ্যমে বিজ্ঞানকে সাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এবং তাদেরকে বিজ্ঞানমনষ্ক ও বিজ্ঞানঘনিষ্ঠ করার একটি প্রয়াস এই ওয়েবসাইট।</p>
<p style="text-align: justify">লেখা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সম্পাদকের মতামতই চুড়ান্ত। বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে আপনিও অংশ নিন আমাদের সাথে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/26/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বরিশালে সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হলো ১ম বরিশাল ম্যারাথন</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/10</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/10#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2020 07:52:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>joel</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কার্যক্রম প্রতিবেদন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/10</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/03/barisal-ran-pic122-2-20-copy-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
‘খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল&#8217;- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে বরিশাল নগরীতে  প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল প্রথম ম্যারাথন-২০২০। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে সামনে রেখে ওই ম্যারাথনে আয়োজন করে বিজ্ঞান চর্চা ও বিকাশের সংগঠন কসমিক কালচার।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টায় নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে ওই ম্যারাথন শুরু হয়। বরিশাল ম্যারাথনে চারটি ক্যাটাগরিতে হাফ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/03/barisal-ran-pic122-2-20-copy-thumbnail.jpg" alt="সকাল ৬টায় নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান" /></p>
<p style="text-align: justify">‘খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল&#8217;- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে বরিশাল নগরীতে  প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল প্রথম ম্যারাথন-২০২০। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে সামনে রেখে ওই ম্যারাথনে আয়োজন করে বিজ্ঞান চর্চা ও বিকাশের সংগঠন কসমিক কালচার।</p>
<p style="text-align: justify">শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টায় নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে ওই ম্যারাথন শুরু হয়। বরিশাল ম্যারাথনে চারটি ক্যাটাগরিতে হাফ ম্যারাথন (২১ দশমিক ১ কিলোমিটার), পাওয়ার রান (১০ কিলোমিটার), ড্রিম রান (৫ কিলোমিটার) ও চ্যারিটি রান (৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার) প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p style="text-align: justify">ম্যারাথনে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ১৩০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। সকাল ৬টায় নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আয়োজনের পৃষ্ঠপোষক অমৃত কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টস লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভানু দে।</p>
<p style="text-align: justify">উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ম্যারাথনটি বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে শুরু করে নগরের প্রধান সড়কগুলো হয়ে লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি পর্যন্ত গিয়ে পুনরায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এসে শেষ হয়।</p>
<p style="text-align: justify">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শাহাবুদ্দিন খান বলেন, এই আয়োজন মাদক বিরোধী আন্দোলন আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে। আমাদের যুব সমাজ ও তরুন সমাজকে আরো বেশি খেলাধুলা ও শরীর চর্চামুখি করবে। তারা সুস্থদেহে সুস্থ শরীরে যাতে সত্যিকারের সুনাগরিক হয়ে গরে উঠতে পারে। তিনি আরো বলেন, ম্যারাথন এটি চমৎকার আয়োজন। আজ এই আয়োজনে সাড়া দিয়ে বাংলদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যারা আসছেন তাদের স্বাগত। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই। আশা রাখি কসমিক কালচার আগামিতে আরো বড় করে এই আয়োজন করবে।</p>
<p style="text-align: justify">সমাপনী অনুষ্ঠানে কসমিক কালচারের সভাপতি ড. অনিশ ম-লের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবত বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মো. আরিফুর রহমান,  কসমিক কালচারের সাধারণ সম্পাদক যোয়েল কর্মকার। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও ফিনিসারদের মধ্যে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify">সভাপতি ড. অনিশ মন্ডল বলেন, আমরা এই আয়োজনের মধ্যেদিয়ে সকলকে সুস্থ সবল দেহে বিজ্ঞান মনস্ক হয়ে ওঠার আহ্বান জানাই। বৃদ্ধ ও তরুন সবাইকে শরীর চর্চায় এগিয়ে আসতে হবে। তহলে আমরা সুস্থ, সবল, সুনাগরিক পাবো। সবার সহযোগিতা পেলে আগামীতে আরো বড় করে আয়োজন করতে চাই।</p>
<p style="text-align: justify">ম্যারাথনে প্রতিযোগী খবির উদ্দিন খান বলেন, ‘এই ম্যারাথনের মাধ্যমে বৃদ্ধ ও তরুনদের উদ্বুদ্ধ করে বলতে চাই তারা যেন দৌড়তে আসে। সাফাল্যের প্রথম চাবিকাঠী হলো স্বাস্থ্য। তার পরে মানবিক গুনাবলী। অর্থৎ ভালো ছাত্রের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া জরুরী।</p>
<p style="text-align: justify">৪ ক্যাটাগরীর মধ্যে ২১.১ কিলোমিটার ক্যাটাগরী ম্যারাথনে প্রথম হন ঢাকার মো. ওয়াসিউর রহমান, দ্বিতীয় হন ঢাকার রানা রহমান এবং তৃতীয় হন চট্টগ্রামের আদিবাসী শোভন মিত্র তনচঙ্গা।</p>
<p style="text-align: justify">অপরদিকে ১০ কিলোমিটার ম্যারাথনে প্রথম হন নারায়নগঞ্জের শেখ জহিরুল ইসলাম, দ্বিতীয় হন ঢাকার ড. প্রনব কুমার সাহা এবং তৃতীয় হন ঢাকার মো. আবদুল্লাহ স্বজন। ম্যারাথনে সকল ক্যাটাগরিতে ফিনিসারদের মেডেল দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify">প্রথম বরিশাল ম্যারাথন ২০২০ এর পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লি:, অমৃত কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টস লি: এবং ডাটা ক্রফট। সহযোগিতায় ছিল, অ্যাডভেরগো, বাংলাদেশ উদীচী বরিশাল জেলা সংসদ, অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, শৈল্পিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/10/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আমাদের কথা: লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পটভূমি</title>
		<link>http://www.cosmicculture.org/1</link>
		<comments>http://www.cosmicculture.org/1#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 30 Mar 2020 04:47:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>siteadmin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কসমিক কালচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cosmicculture.org/?p=1</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/04/c-a.jpg" alt="" /></span>
লক্ষ্য:
শিক্ষা ও জ্ঞানের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী তথা সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করে তোলা ও তাদেরকে যথাসম্ভব বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক মানসিকতার বিকাশ ঘটানো কসমিক কালচারের একমাত্র লক্ষ্য।
উদ্দেশ্য:
মানুষকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করা গেলে সে বুঝতে পারবে তার অবস্থান, বুঝতে পারবে যৌক্তিক করণীয় বিষয়। তখন তাকে আলাদাভাবে বিভিন্ন অসঙ্গতি সম্পর্কে শিক্ষা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center"><img src="http://www.cosmicculture.org/cloud/archives/2020/04/c-a.jpg" alt="কসমিক কালচার" /></p>
<p style="text-align: justify"><strong>লক্ষ্য:</strong></p>
<p style="text-align: justify">শিক্ষা ও জ্ঞানের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী তথা সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করে তোলা ও তাদেরকে যথাসম্ভব বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক মানসিকতার বিকাশ ঘটানো কসমিক কালচারের একমাত্র লক্ষ্য।</p>
<p style="text-align: justify"><strong>উদ্দেশ্য:</strong><br />
মানুষকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করা গেলে সে বুঝতে পারবে তার অবস্থান, বুঝতে পারবে যৌক্তিক করণীয় বিষয়। তখন তাকে আলাদাভাবে বিভিন্ন অসঙ্গতি সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার এবং উন্নয়নের আবশ্যিকতা বলে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বিজ্ঞান-প্রযুক্তিগত ধারণার মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়নের চেতনা ও ধারণা বিকশিত করা যত সহজ ও বাস্তবসম্মতভাবে সম্ভব তা আর কোনভাবেই নয়। এই অবস্থান ও বিবেচনা থেকে কসমিক কালচার দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞান বিষয়ক উৎসাহ সৃষ্টি এবং বিজ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি পরিচালনায় সক্রিয় ও তৎপর।</p>
<p style="text-align: justify"><strong>পটভূমি:</strong><br />
কবে কোথায় শুরু হয়েছিল বিজ্ঞানের শুভযাত্রা, সুদূর অতীতে তার জীবনের অসংখ্য সমস্যা সমাধানে মানুষ যেদিন সচেষ্ট হয়ে উঠল, সেইদিন দেখা দিল বিজ্ঞানের আলো। শুরু হল তার অভিযাত্রা। প্রথম দিকের সমাধানগুলি ছিল আশু সুবিধা লাভের কৌশলমাত্র এবং প্রাথমিক প্রচেষ্টা হিসেবে সেটাই ছিল তার জন্য যথেষ্ট। ক্রমে তুলনা ও যুক্তির প্রয়োগে এবং সার্বিকীকরণ ও সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বোনা হতে লাগল বিজ্ঞানের অপরূপ স্বর্ণজাল।<br />
আমরা স্বপ্ন দেখি,স্বপ্ন দেখি মেধা ও যুক্তির চর্চায় বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে নিয়ে সৃজনশীল ভবিষ্যত গড়ার। কসমিক কালচার সেই জ্ঞান চর্চার পরিবেশ তৈরির স্বপ্ন নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ তারিখ থেকে বরিশাল শহরে কার্যক্রম শুরু করেছিল।</p>
<p style="text-align: justify"><strong>লিগ্যাল স্ট্যাটাস:</strong><br />
কসমিক কালচার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ট্রাস্ট আইনের অধীনে নিবন্ধিত একটি ট্রাস্ট।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cosmicculture.org/1/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
